মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ঘটনাপুঞ্জ

                             একজন আত্নপ্রত্যয়ী পুরুষের সফলতার কাহিনী

নাব শঙ্কর দাশ (২৮বছর),  পিতাঃ দয়াল দাশ, গ্রামঃ ২নং ক্যামলং পাড়া, ইউনিয়নঃ কুহালং বান্দরবান সদর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা । মা ও বাবা  নিয়ে তার সংসার। অতিদরিদ্র হওয়ার কারণে তার পরিবারে অভাব অনটন লেগে থাকতো । ০৮ বছর আগে থেকে নিজের স্বল্প পুঁজি দিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসা করে কোন প্রকারে পরিবার চালাতেন । মাছ, মাংস ও পুষ্টিকর খাদ্যদ্রব্যসহ পোশাক- পরিচ্ছদ অনেক সময় কিনে দিতে পারতো না শুধুমাত্র বছরে একবার, তাও দূর্গাপুজা উৎসবে তাহা কোন রকম আয়োজন হতো। সে বিগত ০৭/১২/২০১০ খ্রিস্টাব্দ তারিখে বিআরডিবি’র আওতাধীন ২নং ক্যামলং পাড়া কৃষক সমবায় সমিতি লিঃ এর সদস্য হয়। তিনি সর্বপ্রথম ১২,০০০/- টাকা ঋণ নিয়ে পূর্বের ক্ষুদ্র ব্যবসার পাশা পাশি আদা, হলুদ ও শীতকালিন শাকসবজি চাষ করতেন। আদা, হলুদ ও শীতকালিন ফসল বিক্রি করে সেই বছর প্রায় ৪০,০০০/- টাকা আয় করেন। বর্তমানে শেয়ার ও সঞ্চয় মিলে নিজস্ব পুঁজি  ২৭,৪৭৫/- টাকা জমা আছে।  তিনি নিয়মিত ঋণ গ্রহণ করেন এবং যথাসময়ে ঋণ পরিশোধ করেন। দ্বিতীয় বার ১৮,০০০/- টাকা ঋণ গ্রহণ করে ক্ষুদ্র ব্যবসা আরো সম্প্রসারিত করেন ।  ক্ষুদ্র ব্যবসার  পাশা পাশি মৌসুমী ফসল চাষ করতেন। এভাবে ধীরে ধীরে তার পারিবারিক স্বচ্ছলতা ফিরে আসতে শুরু করে। সর্বশেষ ৩৫,০০০/- টাকা ঋণ নিয়ে মুদি দোকানের মালামাল বৃদ্ধি করেন। এখন তিনি পুরোপুরি অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ। গ্রামবাসীরা তার কাজ দেখে অনেকে উৎসাহীত হচ্ছেন। এ বছর জুমে আদা, হলুদ ও বিভিন্ন শাকসবজি চাষ করেছেন। শঙ্কর দাশ জানান যে, রবি মৌসুমের ধানের ফসল ভালো হলে এ বছর আনুমানিক ১,০০,০০০/- আয় হবে। তা ছাড়া ২নং ক্যমলং পাড়াতে সে একজন প্রতিষ্ঠিত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী । তার প্রতিষ্ঠানের নাম মেসার্স শঙ্কর ষ্টোর । বর্তমানে তাদের সংসার ভালোভাবে চলছে। পরিবারের সবাই নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খাচ্ছেন। সমিতির মাধ্যমে ভবিষ্যতের জন্য টাকা সঞ্চয় করছেন। এভাবে বিআরডিবি’র মাধ্যমে তিনি দরিদ্রতার নিষ্ঠুর থাবা থেকে মুক্ত হয়েছেন। ইচ্ছা শক্তি যদি প্রবল থাকে মানুষ যদি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয় তাহলে প্রতিটি মানুষ তার জীবনের গতি পরিবর্তন করতে পারে। তার প্রমাণ জনাব শঙ্কর দাশ ।

বিআরডিবি’র মাধ্যমে স্বাবলম্বি হয়েছেন এরকম আরো শত উদাহরণ রয়েছে।

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter